2002 তে পাকিস্তান অধিকৃত বালুচিস্তানে জন্মানো আসিফা মঙ্গল আজ ছেয়ে আছেন পুরো বিশ্বের মিডিয়া জুড়ে।কি করেছেন আসিফা?? শুনলে গায়ে কাঁটা দেবে।
বালুচিস্তান 1947 সাল থেকে পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের থেকে আলাদা হওয়ার পক্ষে ছিল না,তারা ভারতের পক্ষে থাকার পক্ষেই ছিল।কিন্তু পাকিস্তান তাদের জোর করে অধিগ্রহন করে পাকিস্তানে অন্তর্ভুক্ত করে।সেই থেকে চলছে বালুচদের সাথে পাকিস্তানের লড়াই।সময়ের সাথে সাথে লড়াই আরো তীব্রতর হয়েছে।বিশেষ করে ভারতে নরেন্দ্র মোদী সরকারের আসার পরে বালুচরা আরো উৎসাহিত হয়েছে।বালুচ লিবারেশন আর্মি তাদের স্বাধীনতার লড়াইকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গিয়েছে এখন।বালুচ লিবারেশন আর্মির আক্রমণে গত বারো মাসে প্রায় এক হাজার পাকিস্তান সেনা এবং পুলিশ প্রাণ হারিয়েছে বালুচিস্তানে।সেই সঙ্গে বেড়েছে পাকিস্তান আর্মির অত্যাচার বালুচদের উপর।হত্যা,বালুচ মহিলাদের অপহরণ এবং গনধর্ষণ পাকিস্তান সেনার প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
আসিফা মঙ্গল বালুচের ঘটনাও শিহরণ জাগানো।তার দুই বোনকে অপহরণ করে ধর্ষণ করে হত্যা করে পাক সেনা।কোনদিক বিচার না করেই বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মির আত্মঘাতী বাহিনীতে যোগ দেয় আসিফা।অবশেষে প্রতিশোধের সুযোগ এসে উপস্থিত হলো গত পরশু দিন।পাকিস্তান সেনাকে বালুচ বাহিনী কোয়েটাতে ঘিরে ফেলে গনহত্যা চালিয়েছে আসিফার নেতৃত্বে।চার ঘণ্টার অপারেশনে 200 পাকিস্তান সেনাকে হত্যা করে আসিফা এবং তার সঙ্গীরা।আজ বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মি বালুচিস্তান প্রদেশের সাতটি শহরের দখল নিয়েছে।এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধে গতকাল পাকিস্তান সেনার প্রত্যাঘাতে বালুচরাও প্রায় 100 স্বাধীনতা যোদ্ধাকে হারিয়েছে।লড়াই এখনো চলছে।খুব শিগগিরই পাকিস্তান থেকে আলাদা হতে চলেছে বালুচিস্তান।সেই যুদ্ধে আরো আসিফাদের নাম সামনে আসবে।বালুচদের এই যুদ্ধে ভারতের পুর্ণ সমর্থন রয়েছে,কারন বর্তমান ভারত সরকার বালুচিস্তানকে ভারতের অংশ মানেন।সেই দৃষ্টিতে দেখলে বালুচদের এই মহান স্বাধীনতা যুদ্ধে আলোড়ন সৃষ্টিকারী আসিফা আমাদের বোন।এগিয়ে চলো বোন,আমরা তোমাদের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সঙ্গে আছি। জিও বালুচিস্তান লিবারেশন আর্মি।

